Food Guides
ফাস্ট ফুড অস্বাস্থ্যকর খাবার: পার্থক্য জানুন, সুস্থ থাকুন
আপনি কি ভাবেন ফাস্ট ফুড এবং অস্বাস্থ্যকর খাবার একই জিনিস? অনেকের ধারণাই এমন, কিন্তু আসলে এই দুটি ধারনা প্রায় একই কিন্তু খুবই গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্য রয়েছে। সুস্থ জীবনযাপন করতে চাইলে এই পার্থক্য জানা খুবই জরুরি。
ফাস্ট ফুড কী?
ফাস্ট ফুড বলতে সাধারণত বোযায় খাবার পরিবেশন করার একটি পদ্ধতি। এটি খাবারের পস্টিগুন সম্পর্কিত কন তথ্য প্রদান করে না এবং তৈরি পদ্ধতি সুবিধার উপর জোর দেওয়া হয় ।
-
দ্রুত প্রস্তুত ও পরিবেশন: অর্ডার দেয়ার সাথে সাথেই পাওয়া যায়।
-
সুবিধা ও সহজলভ্যতা: ড্রাইভ-থ্রু, হোম ডেলিভারির ব্যবস্থা থাকে। KFC, McDonald’s, Domino’s Pizza ইত্যাদি এটির সাধারণ উদাহরন
-
স্বাদের ধারাবাহিকতা: দুনিয়ার যেকোনো জায়গায় গিয়েও ফাস্ট ফুড এর একই স্বাদ পাবেন।
-
উদাহরণ: বার্গার, পিজা, ফ্রেঞ্চ ফ্রাই, ফ্রাইড চিকেন, ইত্যাদি ।
অস্বাস্থ্যকর খাবার কী?
অস্বাস্থ্যকর খাবার হচ্ছে একটি বিস্তৃত ধারণা যার উপর ভিক্তি করে খাবারের পুষ্টিগুণ ও স্বাস্থ্যের উপর এর প্রভাব সংজ্ঞায়িত করা হচ্ছে । যেকোনো খাবার যা এক্সপ্রেস মিল অথবা বাসায় তৈরি যতখন পর্যন্ত পুষ্টির মান কম এবং ক্ষতির উপাদান বেশি থাকে ততক্ষণ তাকে একই শ্রেণিতে শ্রেণিবদ্ধ করা যাবে ।
-
পুষ্টির অভাব: ভিটামিন, খনিজ পদার্থ , আঁশ জাতীয় প্রয়োজনীয় উপাদান কম থাকে ।
-
ক্ষতিকর উপাদানের আধিক্য: অতিরিক্ত তেল, চিনি, লবণ, অস্বাস্থ্যকর চর্বি (ট্রান্স ফ্যাট) এবং উচ্চ কার্বন জলের পরিমাণ।
-
স্বাস্থ্য ঝুঁকি: দীর্ঘদিন স্থূলতা, হৃদরোগ, ডায়াবেটিসের মতো রোগের ঝুঁকি।
-
উদাহরণ:
-
ফাস্ট ফুড: ফ্রেঞ্চ ফ্রাই, চিজি বার্গার, কোল্ড ড্রিংক।
-
প্রক্রিয়াজাত খাবার: পটেটো চিপস, ক্যান্ডি বার, কেক, আইসক্রিম。
-
চিনিযুক্ত পানীয়: সফট ড্রিংক, এনার্জি ড্রিংক。
-
বাড়ির অস্বাস্থ্যকর খাবার: অতিরিক্ত তেলে ভাজা পদ, মিষ্টি জাতীয় খাবার。
-
মূল পার্থক্য: একটি টেবিলের মাধ্যমে দেখে নিন
| বৈশিষ্ট্য | ফাস্ট ফুড | অস্বাস্থ্যকর খাবার |
|---|---|---|
| সংজ্ঞা | পরিবেশনের ধরন (দ্রুততা ও সুবিধা) | পুষ্টিগুণ (নিম্ন পুষ্টিমান, উচ্চ ক্ষতিকর উপাদান) |
| ফোকাস | কিভাবে খাওয়া হয় (দ্রুত,সুবিধাজনক) | কি খাওয়া হয় (খাবারের গুণাগুণ) |
| স্কোপ | একটি নির্দিষ্ট ধরণের খাদ্য পরিষেবা | একটি ব্যাপক বিভাগ , যাতে অনেক ধরনের খাবার পড়ে |
| উদাহরণ | বার্গার, পিজা, ফ্রাইড চিকেন | ফাস্ট ফুড, চিপস, কোল্ড ড্রিংক, মিষ্টি, বাড়ির তৈরী অস্বাস্থ্যকর খাবার |
| কোনোটিই কি স্বাস্থ্যকর? | হ্যাঁ, হতে পারে (যেমন : salads, grilled chicken sandwiches) | না, “অস্বাস্থ্যকর”এই শব্দটি নিজেই সংজ্ঞায়িত করে যে এটি স্বাস্থ্যকর নয় |
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য: সব ফাস্ট ফুডই কি অস্বাস্থ্যকর?
না! এটাই সবচেয়ে বড় ভুল বোঝাবুঝি। অনেক স্বাস্থ্যকর দোকান এখন তুলনামূলকভাবে স্বাস্থ্যকর বিকল্প প্রদান করে, যেমন:
-
গ্রিল्ड চিকেন স্যান্ডউইচ
-
সালাদ (ড্রেসিং আলাদা রাখলে)
-
ওটমিল বা ফল
-
দই
তাই, দ্রুত খাবার স্বাস্থ্যকর হতে পারে নাকি স্বাস্থ্যকর নয়, এটি আপনার পছন্দের উপর নির্ভর করে।
সবচেয়ে বড় কথা:
-
ফাস্ট ফুড হল পরিবেশনের একটি পদ্ধতি।
-
অস্বাস্থ্যকর খাবার হল পুষ্টিগুণ সম্পর্কিত একটি মূল্যায়ন।
- যখন আপনি দ্রুত খাবার খেতে চান, তখন মেনুটি একটু বেছে নিন। তেলের পরিবর্তে রোস্টেড খাবার বেছে নিন, ড্রিঙ্কসের পরিবর্তে পানি বেছে নিন। সচেতন পছন্দ স্বাস্থ্য বজায় রাখার মূল চাবিকাঠি ।
সু-স্বাস্থ্য এর আরও তথ্য পেতে এখানে চাপুন ।
আসা করি দেখা হবে আবারও সু স্বাস্থ্য নিয়ে ।
আপনার ও আপনার পরিবারের সু-স্বাস্থ্য বজায় রাখুন।
Food Guides
Healthy Homemade Juice Recipes for Every Occasion
Food Guides
গুরুত্বপূর্ণ সুপারফুড যা আপনার শরীরকে স্বাস্থ্যবান রাখতে সাহায্য করে
দিনে ৭টি গুরুত্বপূর্ণ সুপারফুড যা আপনার শরীরকে স্বাস্থ্যবান রাখে
ভূমিকা
আজকের দৈনন্দিন ব্যস্ত জীবনে সঠিক খাদ্য গ্রহণ করা অনেক সময় কঠিন হয়ে যায়। তবে কিছু বিশেষ খাবার, যা “সুপারফুড” হিসেবে পরিচিত, তা নিয়মিত খেলে শরীরকে শক্তিশালী, রোগপ্রতিরোধী এবং স্বাস্থ্যবান রাখা সম্ভব। এখানে ৭টি সুপারফুড নিয়ে আলোচনা করা হলো যা আমাদের হাতের কাছেই আছে এবং খুব সহজে প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় রাখা যায়।
১. ব্লুবেরি (Blueberry)
- পুষ্টিগুণ: অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, ভিটামিন C, ভিটামিন K
- সুস্থতার জন্য: মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বাড়ায়, হৃদয় সুস্থ রাখে এবং কোষগুলোকে ফ্রি র্যাডিকেল থেকে রক্ষা করে।ফলে স্মরনশক্তি বৃদ্ধি পায়।
- খাওয়ার পরামর্শ: সকালে দই বা ওটমিলের সঙ্গে খেতে পারেন।
২. পালং শাক (Spinach)
- পুষ্টিগুণ: লৌহ, ভিটামিন A, ভিটামিন C, ফাইবার।
- সুস্থতার জন্য: রক্তস্বল্পতা প্রতিরোধ, হাড় মজবুত করা এবং হজম ভালো রাখা।
- খাওয়ার পরামর্শ: সালাদ, স্মুদি বা হালকা স্যুপে ব্যবহার করুন।
৩. বাদাম (Almonds / Walnuts)
- পুষ্টিগুণ: প্রোটিন, স্বাস্থ্যকর চর্বি, ভিটামিন E।
- সুস্থতার জন্য: হৃদয় সুস্থ রাখা, ত্বক ও চুলের যত্ন এবং ওজন নিয়ন্ত্রণে সহায়ক।
- খাওয়ার পরামর্শ: দুপুরের স্ন্যাকস বা দুধের সঙ্গে খাওয়া যায়।
৪. ওটস (Oats)
- পুষ্টিগুণ: ফাইবার, ভিটামিন B, প্রোটিন।
- সুস্থতার জন্য: হজম ভালো রাখে, দীর্ঘ সময়ের জন্য এনার্জি দেয় এবং কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে সহায়ক। কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে।
- খাওয়ার পরামর্শ: সকালের নাশ্তায় ওটমিল বা স্মুদি হিসেবে। বিভিন্ন সবজি ও ডাল দিয়ে খিচুড়ি করে খাওয়া যায়।
৫. গাজর (Carrot)
- পুষ্টিগুণ: ভিটামিন A, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট।
- সুস্থতার জন্য: চোখের স্বাস্থ্যের উন্নতি, রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি এবং ত্বক উজ্জ্বল রাখে।
- খাওয়ার পরামর্শ: স্যালাড, জুস বা হালকা সূপে ব্যবহার করুন।
৬. গ্রিক দই (Greek Yogurt)
- পুষ্টিগুণ: প্রোবায়োটিক, প্রোটিন, ক্যালসিয়াম।
- সুস্থতার জন্য: হজম শক্তিশালী করে, হাড় মজবুত রাখে এবং ওজন নিয়ন্ত্রণে সহায়ক।
- খাওয়ার পরামর্শ: সকালের নাশ্তা বা স্ন্যাকসের সময়। শশার স্যালাদেও ব্যবহার করা যায়।
৭. অ্যালিভ অয়েল (Olive Oil)
- পুষ্টিগুণ: স্বাস্থ্যকর মনো-স্যাচুরেটেড ফ্যাট, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট।
- সুস্থতার জন্য: হৃদয় স্বাস্থ্য রক্ষা, প্রদাহ কমানো এবং ত্বক উজ্জ্বল রাখে।
- খাওয়ার পরামর্শ: সালাডে ড্রেসিং হিসেবে বা রান্নায় কম তাপে ব্যবহার করুন।
উপসংহার
এই ৭টি গুরুত্বপূর্ণ সুপারফুড নিয়মিত খাদ্য তালিকায় রাখলে আপনি শরীরকে রোগমুক্ত, শক্তিশালী এবং সুস্থ রাখতে পারবেন। প্রতিদিনের খাদ্যাভ্যাসের সাথে।
সু-স্বাস্থ্য এর আরও তথ্য পেতে এখানে চাপুন ।
আসা করি দেখা হবে আবারও সু স্বাস্থ্য নিয়ে ।
আপনার ও আপনার পরিবারের সু-স্বাস্থ্য বজায় রাখুন।
Food Guides
তালের পিঠা এর কয়েকটি ভিন্ন ভিন্ন রেসিপি
তালের পিঠা আমাদের দেশের এক জনপ্রিয় সুস্বাদু ঐতিহ্যবাহী খাবার। তাল পাকার মৌসুমে ঘরে ঘরে বিভিন্নভাবে এই পিঠা বানানো হয়। কয়েকটি ভিন্ন ভিন্ন তালের পিঠার রেসিপি দেয়া হয়েছে–
🍩 ১. ভাজা তালের পিঠা(Traditional Fry)
উপকরণ:
- তাল – ২টা (পাকা, মিহি করে ছেঁকে নেওয়া)
- চালের গুঁড়া – ২ কাপ
- গুড় – ১ কাপ (চিনি দিয়েও করা যায়)
- নারকেল কুচি – ১ কাপ
- লবণ – সামান্য
- তেল – ভাজার জন্য
প্রণালী:
১. তাল ছেঁকে মিহি করে নিন।
২. চালের গুঁড়া, গুড়/চিনি, নারকেল কুচি, লবণ মিশিয়ে ঘন ব্যাটার তৈরি করুন।
৩. কড়াইতে তেল গরম করে এক চামচ করে ঢেলে ভেজে নিন।
৪. দুই পাশ লালচে হলে নামিয়ে গরম গরম পরিবেশন করুন।
🥥 ২. নারকেল পুর ভরা তালের পিঠা
উপকরণ:
- চালের গুঁড়া – ২ কাপ
- তাল রস – ১ কাপ
- নারকেল কুরানো – ১ কাপ
- গুড় – ১ কাপ
- এলাচ গুঁড়ো – ১ চা চামচ
- তেল/ঘি – পরিমাণমতো
প্রণালী:
১. তাল রস ও চালের গুঁড়া দিয়ে মণ্ড তৈরি করুন।
২. আলাদা করে নারকেল, গুড় ও এলাচ গুঁড়ো দিয়ে পুর তৈরি করুন।
৩. মণ্ড থেকে ছোট লেচি কেটে পুর ভরে গোল/ওভাল আকার দিন।
৪. তেল বা ঘিতে ভেজে নিন।
🥞 ৩. পাতলা তালের পিঠা (চিতই স্টাইলে)
উপকরণ:
• চালের গুঁড়া – ২ কাপ
• তাল রস – ১ কাপ
• দুধ – ১ কাপ
• চিনি/গুড় – ½ কাপ
• লবণ – সামান্য
প্রণালী:
১. চালের গুঁড়া, দুধ, তাল রস ও চিনি দিয়ে তরল ব্যাটার তৈরি করুন।
২. নন-স্টিক তাওয়া গরম করে হালকা তেল মেখে ব্যাটার ঢেলে পাতলা করে ছড়িয়ে দিন।
৩. দুই পাশ সোনালি করে ভেজে নিন।
৪. গরম গরম পরিবেশন করুন।
🍯 ৪. ভাপে তালের পিঠা
উপকরণ:
• চালের গুঁড়া – ২ কাপ
• তাল রস – ১ কাপ
• গুড় – ১ কাপ
• নারকেল কুরানো – ১ কাপ
• কলাপাতা (ইচ্ছেমতো)
প্রণালী:
১. চালের গুঁড়া, তাল রস, গুড়, নারকেল মিশিয়ে মণ্ড তৈরি করুন। ২. ছোট ছোট আকারে বানিয়ে কলাপাতায় মুড়ে নিন। ৩. স্টিমারে/ভাপা পাত্রে ১৫–২০ মিনিট ভাপে দিন। ৪. সুগন্ধি ভাপে তালের পিঠা প্রস্তুত।
🍮 ৫. দুধে তালের পিঠা
উপকরণ:
• চালের গুঁড়া – ২ কাপ
• তাল রস – ১ কাপ
• গুড় – ১ কাপ
• তরল দুধ – ৩ কাপ
• নারকেল কুরানো – ১ কাপ
• এলাচ – ২–৩টি
প্রণালী:
১. চালের গুঁড়া, তাল রস ও গুড় দিয়ে মণ্ড তৈরি করুন। ২. ছোট ছোট বল আকারে পিঠা বানান। ৩. দুধ ফুটে উঠলে তাতে পিঠাগুলো ছাড়ুন। ৪. নারকেল ও এলাচ যোগ করে দুধ ঘন না হওয়া পর্যন্ত জ্বাল দিন। ৫. মিষ্টি দুধে ভেসে থাকা নরম নরম তালের পিঠা পরিবেশন করুন।
🍪 ৬. বেকড তালের পিঠা (আধুনিক)
উপকরণ:
• ময়দা – ১ কাপ
• তাল রস – ½ কাপ
• ডিম – ২টি
• চিনি/গুড় – ½ কাপ
• বেকিং পাউডার – ১ চা চামচ
• ঘি – ২ টেবিল চামচ
• এলাচ গুঁড়া – ½ চা চামচ
প্রণালী:
১. ডিম, চিনি/গুড় ও ঘি ভালো করে ফেটিয়ে নিন। ২. এতে তাল রস, ময়দা, বেকিং পাউডার, এলাচ মিশিয়ে নরম ব্যাটার বানান। ৩. ওভেন ১৮০°সে তাপে প্রি-হিট করে ব্যাটার ঢেলে দিন। ৪. ৩০–৩৫ মিনিট বেক করুন। ৫. কেকের মতো নরম বেকড তালের পিঠা পাবেন।
🍧 ৭. তালের ক্ষীর পিঠা
উপকরণ:
• চালের গুঁড়া – ১ কাপ
• তাল রস – ১ কাপ
• গুড় – ১ কাপ
• দুধ – ৪ কাপ
• ঘন নারকেল দুধ – ১ কাপ
• কিসমিস, কাজু – ইচ্ছেমতো
প্রণালী:
১. চালের গুঁড়া ও তাল রস মিশিয়ে ছোট ছোট লুচির মতো গোল পিঠা বানান। ২. দুধ ফুটে উঠলে গুড় ও নারকেল দুধ যোগ করুন। ৩. এতে পিঠাগুলো ছাড়ুন এবং কাজু-কিসমিস দিন। ৪. ঘন হয়ে এলে নামিয়ে নিন। ৫. ঠান্ডা বা গরম – দুইভাবেই খেতে দারুণ।
🥟 ৮. তাল-সুজি পিঠা
উপকরণ:
- সুজি – ১ কা
- তাল রস – ১ কাপ
- গুড় – ½ কাপ
- নারকেল কুরানো – ½ কাপ
- দুধ – ১ কাপ
- ঘি – ২ টেবিল চামচ
প্রণালী:
১. কড়াইতে ঘি গরম করে সুজি ভেজে নিন।
২. দুধ ও তাল রস দিয়ে নরম খিচুড়ির মতো মিশ্রণ তৈরি করুন।
৩. তাতে গুড় ও নারকেল মেশান। ৪. মিশ্রণ ঠান্ডা হলে ছোট ছোট বল আকারে গড়ুন। ৫. ইচ্ছেমতো ভেজে/ভাপে পরিবেশন করুন।
🍯 ৯. তালের মালপোয়া
উপকরণ:
- তাল রস – ১ কাপ
- ময়দা – ১ কাপ
- সুজি – ½ কাপ
- গুড়/চিনি – ½ কাপ
- দুধ – ½ কাপ
- বেকিং পাউডার – ½ চা চামচ
- ঘি/তেল – ভাজার জন্য
প্রণালী:
১. তাল রস, ময়দা, সুজি, দুধ, গুড়/চিনি ও বেকিং পাউডার মিশিয়ে ব্যাটার তৈরি করুন।
২. ২০ মিনিট ঢেকে রাখুন।
৩. কড়াইতে তেল/ঘি গরম করে ছোট ছোট গোল আকারে ঢেলে দিন।
৪. দুই পাশ সোনালি ভেজে গরম গরম পরিবেশন করুন।
🥞 ১০. তালের পাটিসাপটা
উপকরণ:
- চালের গুঁড়া – ১ কাপ
- ময়দা – ½ কাপ
- তাল রস – ১ কাপ
- দুধ – ১ কাপ
- নারকেল কুরানো – ১ কাপ
- গুড় – ½ কাপ
- ঘি – ১ টেবিল চামচ
প্রণালী:
১. চালের গুঁড়া, ময়দা, দুধ ও তাল রস দিয়ে ব্যাটার তৈরি করুন।
২. আলাদা করে নারকেল, গুড় ও ঘি দিয়ে পুর বানান।
৩. নন-স্টিক প্যান গরম করে পাতলা করে ব্যাটার ঢালুন।
৪. একপাশে পুর দিয়ে রোল করুন।
৫. সুগন্ধি তালের পাটিসাপটা পরিবেশন করুন।
🍨 ১১. তালের হালুয়া পিঠা
উপকরণ:
- তাল রস – ১ কাপ
- সুজি – ১ কাপ
- গুড় – ½ কাপ
- ঘি – ২ টেবিল চামচ
- এলাচ গুঁড়া – সামান্য
- কাজু, কিসমিস – ইচ্ছেমতো
প্রণালী:
১. কড়াইতে ঘি দিয়ে সুজি হালকা ভেজে নিন।
২. তাল রস ও গুড় যোগ করে নাড়তে থাকুন।
৩. কাজু-কিসমিস ও এলাচ গুঁড়া দিন।
৪. ঘন হলে নামিয়ে ছাঁচে ঢেলে কাটুন।
৫. হালুয়ার মতো তালের পিঠা পরিবেশন করুন।
🥥 ১২. তালের নারকেল ভাপা পিঠা
উপকরণ:
- চালের গুঁড়া – ২ কাপ
- তাল রস – ১ কাপ
- নারকেল কুরানো – ১ কাপ
- গুড় – ১ কাপ
- কলাপাতা – ইচ্ছেমতো
প্রণালী:
১. চালের গুঁড়া ও তাল রস মিশিয়ে মণ্ড তৈরি করুন।
২. নারকেল ও গুড় একসাথে পুর তৈরি করুন।
৩. কলাপাতায় মণ্ড বিছিয়ে পুর দিয়ে মুড়ে দিন।
৪. ভাপে ১৫–২০ মিনিট রান্না করুন।
৫. সুগন্ধি ভাপা তালের পিঠা তৈরি।
সু-স্বাস্থ্য এর আরও তথ্য পেতে এখানে চাপুন ।
আসা করি দেখা হবে আবারও সু স্বাস্থ্য নিয়ে ।
আপনার ও আপনার পরিবারের সু-স্বাস্থ্য বজায় রাখুন।
-
beauty tips11 months agoচুল পড়া রোধ করার কিছু ঘরোয়া উপায়
-
Fitness11 months agoওজন কমানোর কিছু কার্যকরী উপায়
-
beauty tips11 months agoত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়াতে কয়েকটি ঘরোয়া ফেসপ্যাক
-
Food Guides5 months agoDaily Balanced Diet for Good Health : Your Ultimate Guide
-
Fitness5 months agoHow to Stay Hydrated: The Ultimate Guide to Drinking More Water
-
beauty tips11 months agoঅ্যালোভেরার আছে নানা গুণ
-
Nutrition Tips9 months agoমিষ্টি আলুর উপকারিতা ও অপকারিতা
-
Food Guides11 months agoরোজায় সুস্থ থাকতে স্বাস্থ্যকর খাবার গ্রহণ করুন


